এদিকে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নজরধারি ও টহল জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় আরো দুই শিশুর লাশ বুধবার বেলা ১১টার দিকে সাবরাং ইউনিয়নের বাহারছড়াঘাটের সৈকতে জোয়ারের পানিতে ভেসে আসে।
.png)
এর আগে, মঙ্গলবার বিকেলে সদর ইউনিয়নের নোয়াখালিয়া পাড়া ও হাবিরছড়া এলাকা থেকে ১২ জন এবং সাবরাং ইউনিয়নের গোলারচর এলাকা থেকে পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। উদ্ধার করা লাশগুলো নিজ নিজ এলাকায় বেওয়ারিশ হিসেবে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুর রশিদ জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়া ও রাজারছড়া পয়েন্ট এলাকায় ৩১ রোহিঙ্গাকে বহনকারী নৌকাটি ডুবে যায়। কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও বেশিরভাগ যাত্রী সাগরে তলিয়ে যায়।
বুধবার দুপুরে কোস্টগার্ড সদর দফতরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে টহল এবং নজরদারি জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।