এ সময় বাড়ির লোকজন ও এলাকাবাসী বাদশাহ মিয়া নামে এক ডাকাতকে আটক করে। আটককৃত বাদশাহ মিয়া পাকুন্দিয়া উপজেলার মৃত রমজান আলীর ছেলে বলে জানা গেছে।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে ডাকাতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়া থানার এসআই সাদ্দাম হোসেন। এর আগে, শুক্রবার দিবাগত রাত ৩.৩০ মিনিটের দিকে উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের মজলিশপুর গ্রামের ব্যবসায়ী কোবাদ আকন্দের বাড়িতে এই দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
.png)
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাতে ৬ জনের মুখোশধারী একটি ডাকাতদল ব্যবসায়ী কোবাদ আকন্দের বাড়িতে ডাকাতি করার জন্য হানা দেয়। এরপর সুপরিকল্পিতভাবে কোবাদ আকন্দের পরিবারের সদস্যদের একটি রুমে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের ঘরে থাকা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
আটককৃত ডাকাত বাদশা মিয়ার স্বীকারোক্তি মোতাবেক জানা যায়, ৬ জন এই বাড়িতে গতকাল রাত ৩.৩০ মিনিটের দিকে জানালার গ্রিল কেটে ঢুকে বাড়ির সবাইকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে চার ব্রিফকেস ভর্তি টাকা ও স্বর্ণালংকার ডাকাতি করে নিয়ে যাওয়ার সময় বাদশা মিয়াকে বাড়ির লোকজন ও এলাকাবাসী আটক করে। অন্য পাঁচজন পালিয়ে যায়। ডাকাত ছয়জনের মধ্যে দুইজন এই এলাকার, দুই জন পাকুন্দিয়ার মঠখোলা এলাকার এবং বাকি দুইজন গাজীপুর এলাকার বলে জানান বাদশা মিয়া। তিনি আরো জানান, চার ব্রিফকেসে ৬০-৭০ লাখ টাকা ও ১৫-২০ ভরি স্বর্ণ থাকতে পারে।
পাইকুড়ার ইউপি চেয়ারম্যান ইসলাম উদ্দিন বলেন, গতকাল রাতে ব্যবসায়ী কোবাদ আলীর ঘরে ডাকাতদল হানা দিয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় এক ডাকাতকে আটক করা হয়েছে বলে শুনেছি।
কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান আকন্দ বলেন, ব্যবসায়ী কোবাদ আলীর বাড়িতে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।ডাকাতির ঘটনায় বাদশা মিয়া নামে এক ডাকাতকে বাড়ির লোকজন ও এলাকাবাসী আটক করেছে। সে এখন থানা হেফাজতে আছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।