সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাগীগঞ্জ, চুহড় এলাকার শাহ সুলতান ব্রিজ হিমাগারের সামনে রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আলু চাষিরা।
রংপুর জেলা আলু চাষি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. তৈয়ুবুর রহমানের নেতৃত্বে হিমাগার মালিকদের বৈষম্যমূলক ও একতরফা বৃদ্ধির প্রতিবাদে ও কোল্ড স্টোরেজ ভাড়া কমানোর দাবিতে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আলু চাষি ও ব্যবসায়ী বস্তা প্রতি ভাড়া ৩৮৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৮০ করার দাবি জানান। এ সময় সহস্রাধিক মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।
.png)
দুপুর ১টার দিকে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি থেকে ১৩ সদস্যর একটি দল মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে গিয়ে ইউএনওর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বস্তা প্রতি ৩০০ টাকা আলুর ভাড়া নির্ধারণ করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন উপস্থিত থেকে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস প্রদান করলে কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা আলু ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ বনিক, সহ সভাপতি মো. মিজানুর রহমান, মিঠাপুকুর উপজেলা আলু ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. শাহাদত হোসেন প্রমুখ।
বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে রংপুর জেলা আলু ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. তৈয়ুবুর রহমান বলেন, গত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় গড়ে উঠা সিন্ডিকেট কোল্ড স্টোরেজ মালিক সমিতি ভেঙে ফেলতে হবে। পুরনো ধ্যান ধারণা থেকে আমাদের বেরিয়ে এসে নতুনভাবে ভাড়া কাঠামো ঢেলে সাজাতে হবে। এভাবে আর চলতে দেওয়া হবে না। আমরা আমাদের যৌক্তিক দাবি সড়ক অবরোধ কর্মসূচির মাধ্যমে পেশ করেছি। তা অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে।
সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ বণিক বলেন, কৃষকরাই এ দেশের প্রাণ আর এ প্রাণের চাঞ্চলতা ফেরাতে হলে কৃষকদের বাঁচাতে হবে। আমরা দেখেছি এই ঢাকা, রাজশাহী, সিলেটসহ সারাদেশে বাংলাদেশে কোল্ড স্টোরেজ ভাড়া কমানো হলে রংপুরের সিন্ডিকেট কোল্ড স্টোরেজ ব্যবসায়ী মো. মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবুর ১৩টি ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন বাবলুর ৩টি কোল্ড স্টোরেজের বস্তা প্রতি ভাড়া ১০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়। তাই এই কৃষকদের গণ দাবির মুখে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে কোল্ড স্টোরেজে বস্তা প্রতি ভাড়া ২৮০ টাকা করতে হবে।