ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

চোর সন্দেহে মানসিক রোগীকে বেদম মারধর

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: ১৭:৩৯, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
চোর সন্দেহে মানসিক রোগীকে বেদম মারধর
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল -ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে শিশুচোর সন্দেহে রহিমা আক্তার মুক্তা (৩৫) নামে এক নারীকে বেদম মারধর করা হয়েছে। হাসপাতালে রোগীদের স্বজন ও বহিরাগতরা তাকে পেটান। পিটুনিতে আহত ওই নারী বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। আহত রহিমা আক্তার মুক্তা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর ইসলামের স্ত্রী।

মুক্তার স্বামী জাহাঙ্গীর বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে আমার স্ত্রীর মানসিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। সে পথে পথে ঘুরে বেড়ায়। আমার স্ত্রী শিশু চুরি করেনি। কিন্তু শিশুচোর সন্দেহে গণধোলাই দেওয়া হয়েছে।

গত ৫ দিন ধরে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ৫ বছর বয়সী অনিকের বাবা ও তার মা জেমি খাতুন বলেন, আমাদের বাড়ি দৌলতপুর উপজেলার আলমাতলায়। শুক্রবার সন্ধ্যার আগে ওই নারী আমাদের ওয়ার্ডে এসে দুই বা আড়াই ঘণ্টা ধরে ঘোরাঘুরি করছিলেন। আমরা ধারণা করছিলাম তিনি শিশুচোর। চোর সন্দেহে রোগীর স্বজন ও বহিরাগতরা তাকে মারপিট করে।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখছি।

জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক মিঠুন কুমার চক্রবর্তী বলেন, শিশুচোর সন্দেহে মুক্তা নামে এক নারীকে মারধর করে আহত করা হয়েছে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের ওসি মাহফুজুর রহমান বলেন, শিশুচোর সন্দেহে এক নারীকে গণধোলাই দিয়ে আহত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ সঠিক না। তার মানসিক সমস্যা আছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএইচ
ট্যাগ: কুষ্টিয়া
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!