শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভ্রমণপ্রেমীদের ঢল নামে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় দুপুরের পর থেকেই নানা এলাকা থেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুবান্ধব নিয়ে দর্শনার্থীরা এখানে ছুটে আসেন। সাদা কাশফুলের শুভ্রতা এবং নদীর তীরবর্তী মনোমুগ্ধকর পরিবেশের আকর্ষণে এ এলাকাটি হয়ে উঠেছে বিনোদনপ্রেমীদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য।
প্রতি বছর শরৎকালে কাশফুলের সাদা ঝোপ আর মিষ্টি সুবাস প্রকৃতির প্রেমিকদের মনে নতুন করে ভালোবাসার জন্ম দেয়। কাশফুলের প্রান্তরে দাঁড়িয়ে নৌকাভ্রমণ, ছবি তোলা এবং নদীর পাড়ে গল্পে মেতে ওঠা যেন দর্শনার্থীদের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। অনেকেই নৌকায় চড়ে নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।
.png)
ভ্রমণপ্রেমী আরাফাত রহমান জানান, সপ্তাহজুড়ে কাজের চাপ থাকে। ছুটির দিন পেয়ে এখানে এসে কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছি। প্রকৃতির এই রূপ সত্যিই মনোমুগ্ধকর।
কাশফুলের মৌসুম স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য আয়বর্ধক সুযোগ তৈরি করে। নদীর তীরে গড়ে ওঠা অস্থায়ী খাবারের দোকান, মাঠা বিক্রির স্টল, এবং নৌকা ভ্রমণের ব্যবস্থা দর্শনার্থীদের বিনোদন দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয়দের আয় বাড়ায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, কাশফুল দেখতে আসা মানুষের সংখ্যা বাড়লে আমাদের বিক্রিও বেড়ে যায়। বিশেষ করে ছুটির দিনে ভিড় অনেক বেশি থাকে। মাঠা এবং স্থানীয় খাবারের চাহিদা বাড়ে। এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি ভ্রমণকারীদের মধ্যে স্থানীয় পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এলাকার অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।