বুধবার (২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সৈকতের ৪ কিলোমিটার পশ্চিম দিকে মাঝিবাড়ি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। উদ্ধারকৃত যুবক জসিম উদ্দিনের বাড়ি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের কাঠালতলী এলাকায়। তিনি ওই এলাকার শাহ আলমের ছেলে। চাকরির সুবাদে ঢাকায় বসবাস করতেন।
হাসপাতালে নিয়ে আসা ভ্যানচালক কবির হোসেন বলেন, জেলেরা মাছ ধরে তীরে ফেরার সময় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ওই লোক চিৎকার করে বাঁচাও বাঁচাও বলছিলেন। আমরা প্রথমে পাগল ভেবে কাছে গিয়ে দেখি সৈকতে শরীরে পানি ছুঁই ছুঁই অবস্থায় পড়ে আছেন তিনি। আমরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করার পর পরিচয় দিয়ে অজ্ঞান হয়ে পরেন তিনি। তাকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে আসি। পরে তার সঙ্গে থাকা মোবাইল দিয়ে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
.png)
কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মুমসাদ সায়েম পুনম বলেন, অচেতন অবস্থায় এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন জেলেরা। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অবস্থা সংকটাপন্ন হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কলাপাড়া পাঠানো হবে। বর্তমানে তিনি অবজারভেশনে আছেন।
টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন ইনচার্জ আ. খালেক জানান, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ওই লোক। আমাদের সদস্যরা সেখানে তদারকি করছে। আমরা পরিবারের অপেক্ষা করছি। পরিবার এলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।