মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক রোহিঙ্গাদের মধ্যে রয়েছে ২১ জন শিশু, ১২ জন নারী ও চারজন পুরুষ। তাদের সবার বাড়ি মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের মংডু শহরের বিভিন্ন গ্রামে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।
.png)
তিনি বলেন, রাতে জাহাজপুরা সৈকত পয়েন্ট দিয়ে ট্রলারযোগে একদল রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করে। এ সময় স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে তাদের ধরে ফেলে। পুলিশ রোহিঙ্গাদের উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গারা জানিয়েছে তারা মিয়ানমার থেকে টাকার বিনিময়ে দালালের মাধ্যমে সাগরপথে এসেছেন।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে তারা বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে রয়েছেন। নির্বাহী প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা মোতাবেক এসব রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন বলেন, দালাল চক্রের সদস্যরা টাকার বিনিময়ে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে আসে। পরে তাদের বাংলাদেশ অংশের নাফ নদীর তীরে নামিয়ে দেয়। এরমধ্য বেশির ভাগই শিশু। প্রাথমিকভাবে তাদের খাবার দেওয়া হয়েছে।