বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মহানগরীর কাশিমপুরের ৪নং ওয়ার্ডের সারদাগঞ্জ হাজী মার্কেট এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত কিছুদিন ধরে মিজান হোসেন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে চাপের মধ্যে রেখেছিলেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী নারী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তকে আটক করতে সক্ষম হয়।
.png)
এ বিষয়ে সমাজের নারী ও শিশু অধিকারকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। আমাদেরকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে যেন আর কোনো নারী এ ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন না হন।
এছাড়া পুলিশ জানিয়েছে, তারা এ ধরনের অপরাধ রোধে তৎপর রয়েছে এবং স্থানীয় সমাজে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করছে।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নারীদের ওপর এ ধরনের নির্যাতন সমাজে এক গুরুতর সমস্যা। এ ব্যাপারে সঠিক বিচার হলে ভবিষ্যতে অন্যদের জন্য এটি একটি উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে।
এখন দেখার বিষয়, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া কীভাবে এগিয়ে যায় এবং ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কী পদক্ষেপ নেয়া হয়।
কাশিমপুর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে মিজান হোসেনকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।