শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে র্যাবের একটি দল কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএম খালী ইউনিয়নের তোতকখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে দেশীয় তৈরি একটি এলজি ও একটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, আটক রোহিঙ্গা যুবক দেশি-বিদেশি অস্ত্র বেচাকেনায় জড়িত। তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি টেকনাফের পাহাড়ে সক্রিয় অপহরণকারী চক্রের কাছে অস্ত্রের যোগান দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আটককৃত মো. আলম টেকনাফের ২৬ নম্বর ক্যাম্পের ব্লক এইচের বাসিন্দা ওমর হাকিমের ছেলে। তারা ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।
.png)
এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান।
তিনি জানান, শুক্রবার বিকেলে র্যাবের একটি দল গোপন তথ্যে অস্ত্র বেচাকেনার খবর পেয়ে কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে অভিযান চালায়। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টাকালে রোহিঙ্গা নাগরিক মোহাম্মদ আলমকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি একজন পেশাদার অস্ত্র ব্যবসায়ী বলে স্বীকার করেছেন। তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও বিভিন্ন এলাকা থেকে অস্ত্র সংগ্রহ করে টেকনাফের হ্নীলা এলাকা এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অপহরণকারীদের চাহিদা অনুযায়ী অস্ত্র সরবরাহ করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।