মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মুন্সীগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক ড. মোহাম্মদ আলমগীর এ রায় দেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রবিউল্লাহ, হান্নান মিয়া, আবুল হোসেন,ময়না মিয়া ও আনোয়ার হোসেন। তবে, এর মধ্যে পলাতক রয়েছেন আসামি রবিউল্লাহ ও হান্নান মিয়া।
.png)
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ৩১ আগস্ট সকালে মুন্সীগঞ্জ সদরের ফুলতলা এলাকায় ১০ বছরের শিশু তকিরকে বাড়িতে রেখে তার বাবা-মা মুন্সীগঞ্জ শহরের মার্কেটে যায়। পরে বিকেল ৪টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে তকিরকে না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। কোথাও খুঁজে না পেয়ে ঘটনার পরের দিন ১ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে অপহরণ মামলা দায়ের করেন তকিরের মা ঝর্ণা বেগম।
এদিকে, ঘটনার তিনদিন পর ২ সেপ্টেম্বর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে শিশু তকিরের মরদেহের সন্ধান মেলে। ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৩ নভেম্বর পাশের এলাকার চিহ্নিত চোর রবিউল্লাহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে একে একে এই ঘটনায় জড়িত আরো চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তকিরের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়ার জন্য তকিরকে সংঘবদ্ধভাবে অপহরণ করে হত্যা করা হয় বলে স্বীকার করেন রবিউল্লাহসহ অন্য আসামিরা।
দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর বিচারকার্য শেষে আসামিদের জবানবন্দি ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে মঙ্গলবার তিনজন আসামির উপস্থিতিতে আদালত এ রায় দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম পল্টু। তিনি জানান, এই রায়ে সন্তুষ্ট তকির পরিবার।