তবে ভ্যাকসিন দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় আতঙ্কের কারণে এমনটা হয়ে থাকে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
অসুস্থ হওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে ৬ জনের অবস্থার অবনতি হলে তাদের ভোলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ঘটনায় আতঙ্কের কিছু নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
.png)
এদিকে জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে দেওয়া টিকা নেয়ার পর শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় পৃথক কমিটি করেছে ভোলা জেলা প্রশাসক।
জানা গেছে, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। জেলার ৫২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এই টিকা কার্যক্রম চলছে। এই ভ্যাকসিন কার্যক্রমের আওতায় ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণি বা সমমান অধ্যয়নরত এবং ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বহির্ভূত কিশোরীদের বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা দেওয়া হবে। ভোলায় এক লাখ ২১ হাজার ৫৮০ জন কিশোরীকে প্রথমবারের মতো বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্কুল অভিভাবক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষীয়া ইউনিয়নের গেনদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সকাল থেকে স্কুলের শিক্ষার্থীদের এইচপিভি টিকা দেওয়া শুরু হয়। ১৬২ জন শিক্ষার্থীর টিকা সম্পন্ন হওয়ার পরে দুপুরের দিকে হঠাৎ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে।
পরবর্তীতে তাদেরকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান শিক্ষক ও পরিবারের সদস্যরা। এরমধ্যে ৬০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫ জনের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এ খবর মুহূর্তের মধ্যে ভোলাসহ আশপাশের উপজেলায় ছড়িয়ে পড়ে।
প্রাথমিক তদন্তে সাইকোজেনিক কারণে একজনের দেখাদেখি অন্যরা অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে জানান ভোলা সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. শেখ সুফিয়ান রুস্তম।
জেলা প্রশাসক আজাদ জাহান বলেছেন, এ ঘটনায় আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে একটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।