বৃহস্পতিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক কানিজ ফাতিমা এরায় প্রদান করেন।
অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
.png)
তিনি বলেন, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আসামি অন্তিম দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
আসামিরা হলেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার জয়ানপুর গ্রামের আবু বক্কার সিদ্দিকের ছেলে শাকিল শেখ, একই গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে নায়েব আলী ও সলঙ্গা থানার ঘুরকা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে কৃষক সাইফুল ইসলাম তার স্ত্রী আলেয়া খাতুনকে সঙ্গে নিয়ে চা খাওয়ার জন্য বাড়ির পার্শ্ববর্তী বজলুর রহমানের চায়ের দোকানে যায়। এ সময় অন্তিম দাস নামে এক যুবক কৃষক সাইফুল ইসলামকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে কৃষক সাইফুল ইসলাম আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়রি করেন। জিডির তদন্তকালে পুলিশ শাকিল শেখ নামে এক যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তিনি তখন জানান আসামি আব্দুর রাজ্জাক, নায়েব আলী, অন্তিম দাসসহ অজ্ঞাত ৬ থেকে ৭ ব্যক্তি সলঙ্গা থানার ফরিদপুর এলাকায় নৌকা করে তাস খেলা শেষ করে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কৃষক সাইফুল ইসলামকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ঘুরকা খালের কচুরীপানার মধ্যে ঢেকে রাখে। পরে রোববার (১৩ অক্টোবর) সকালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৬ থেকে ৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালতের বিচারক বৃহস্পতিবার তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।