শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় নদীতে ভাসতে দেখে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
এর আগে, বুধবার বিকেল ৪টার দিকে লঞ্চঘাট এলাকায় নদীতে গোসল করতে গিয়ে ডুবে যায় হাসান। নদীতে দুদিন উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়েও শিশুটির কোনো খোঁজ পায়নি ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। মৃত হাসান রাজবাড়ী সদর উপজেলার কুটির হাট এলাকার লাবলু শেখের ছেলে। সে দৌলতদিয়ার আঞ্জুমান-ই-কাদেরিয়া মাদ্রাসাতু সাবিইল হাসান দাখিল মাদরাসায় ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
.png)
দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) এমরান মাহমুদ তুহিন জানান, বুধবার বিকেল ৪টার দিকে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় হাসান ও তার দুই সহপাঠী গোসল করতে যায়। এ সময় হঠাৎ নদীতে ডুবে গিয়ে নিখোঁজ হয় হাসান। তাকে উদ্ধারে স্থানীয়রা নদীতে নেমে খোঁজ করলেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।
গোয়ালন্দ উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের টিম লিডার আব্দুল বাসেদ বলেন, আমাদের এখানে ডুবুরি না থাকায় আরিচা ফায়ার স্টেশন থেকে ডুবুরি দল এসে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করে। প্রথম দিনে দেড় ঘণ্টা উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়েও শিশুটির কোনো খোঁজ মেলেনি। পরে রাত ৮টার দিকে উদ্ধার কার্যক্রম শেষ করা হয়। বৃহস্পতিবার আবারো ডুবুরি অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
তিনি আরো বলেন, শুক্রবার সকালে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় নদীতে জুবায়েরর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন। এ ব্যাপারে নৌ-পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।