রোববার সিলেটের অতিরিক্ত দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক শায়লা শারমিন এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বালাগঞ্জ উপজেলার জামালপুরের গনু মিয়ার ছেলে মাহমুদ আলী ওরফে কাছা, তৌফিক মিয়ার ছেলে ছাবের আহমদ, তার ভাই জুবের আহমদ, রফিক মিয়ার ছেলে আফিক মিয়া, আখলিছের ছেলে সুহেল, লালা মিয়ার ছেলে শামীম চৌধুরী। এক বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ইন্তাজ একই গ্রামের গণির ছেলে।
.png)
আদালত সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত শেষে ২০০৬ সালের ২৮ জুলাই ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ২০০৮ সালে ১ জুলাই থেকে মামলার বিচার শুরু হয়। রায়ে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক। এছাড়া এক বছরের দণ্ডপ্রাপ্তকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আদালত সূত্র জানায়, ২০০৬ সালের ১২ মে দুপুরে জামালপুর গ্রামের ইউছুফ আলীর ছেলে ফখরুল ইসলাম জুমার নামাজ আদায়ের জন্য বাড়ি থেকে বের হন। পথে আসামিরা ফখরুলের ওপর হামলা চালান। সেই সঙ্গে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আসামিরা কোপাতে থাকেন। এক পর্যায়ে আসামিরা চলে গেলে স্থানীয়রা ফখরুলকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে বালাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. কবির হোসেন বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর পর ফখরুল ইসলাম হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। এতে ৬ জনের যাবজ্জীবন ও একজনকে ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন ৫ জন।