শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সরেজমিনে এমন চিত্রই দেখা গেছে কক্সবাজারে।
সৈকতে গোসল সেরে পর্যটকেরা দল বেঁধে ছুটছেন কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের দিকে। এর এক পাশে সমুদ্রসৈকত, অন্য পাশে পাহাড়সারি। গাড়িতে যেতে যেতে দেখা মেলে দরিয়ানগর পর্যটনপল্লি, হিমছড়ির ঝরনা, পাথুরে সৈকত ইনানীর পাটুয়ারটেক, টেকনাফ সমুদ্রসৈকত প্রভৃতি স্থান। অনেকে ছুটছেন ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক ও রামুর বৌদ্ধপল্লিতে। বিকেলে আবার সৈকতে নেমে সূর্যাস্ত দেখছেন হাজারো পর্যটক।
.png)
কলাতলী আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান জানান, এ মুহূর্তে কক্সবাজারে দেড় লাখেরও বেশি পর্যটক অবস্থান করছেন। পর্যটকদের সার্বিক সেবা ও নিরাপত্তায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
এ দিকে সমুদ্রসৈকত এবং হোটেল-মোটেল জোনে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে কয়েকটি মোবাইল টিম। তাছাড়া সমুদ্র স্নানে নিরাপত্তা দিচ্ছে লাইফ গার্ড ও বিচ কর্মীরা।