তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত সহকারী কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, উত্তর হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাস ও শীতল আবহাওয়া অঞ্চলের মানুষকে কাঁপিয়ে তুলছে। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিলছে, তবে রোদের তাপ নেই। রাতে কুয়াশা জমে থাকে এবং সকাল বেলা সূর্য উঠলেও দিন এবং রাতের তাপমাত্রার মধ্যে ব্যাপক ওঠানামা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
.png)
এখানে প্রবল শীতের কারণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও দুস্থ মানুষরা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করার চেষ্টা করছেন। নিম্ন আয়ের মানুষ, যেমন পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক, রিকশা ও ভ্যানচালকরা, শীতের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন, তাদের দৈনন্দিন আয় কমে গেছে।
তীব্র শীতের কারণে শিশু ও বয়স্ক মানুষরা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, সকালে তেঁতুলিয়ায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ, এবং বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় ১২-১৩ কিলোমিটার। বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়ে।