নারায়ণগঞ্জের ভুয়া বাড়ি এলাকায় তাদের বাড়ি বলে আহত একজনের সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো চারজন। তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন। অন্য দুজনকে হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান।
.png)
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত স্বামী-স্ত্রীর মেয়ে আহত তাসরি (২২) জানান, নারায়ণগঞ্জের ভূঁইয়া বাড়ি থেকে সদরপুরের চন্দ্রপাড়ায় যাচ্ছিলেন বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে। তবে তারা কার বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে যাচ্ছিলেন সেটা জানা যায়নি। এর মধ্যে তার বাবা লিটন চৌধুরী, মা ফাহমিদা শারমিন মনু, তাদের মেয়ে সাজু, শ্যালকের স্ত্রী আতিফা, রিন্টু, শালিকা অরিন ও ড্রাইভার নাজমুল হাসানসহ ৮ জনের মতো মাইক্রোবাসটিতে ছিলেন। এর মধ্যে লিটন চৌধুরী, মা ফাহমিদা শারমিন মনু, সাজু, আতিফা ও রিন্টু মারা যান বলে জানা গেছে।
এছাড়া তাসরি, অরিন ও ড্রাইভার নাজমুল হাসান ছাড়াও একজন জিন্না (৫২) নামে স্থানীয় একজন দোকানদার আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর পরে তাদের মধ্যে মারা যান আরো দুইজন।
জানা গেছে, একটি বড় হায়েস মাইক্রোবাসে করে ১০ থেকে ১১ জন যাত্রী রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ফরিদপুর থেকে ঢাকামুখী মধুমতি এক্সপ্রেস নামক একটি ট্রেনের ধাক্কায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মাইক্রোবাসটি পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় মাইক্রোবাসটির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। দুর্ঘটনাস্থলের ওই রেলক্রসিংয়ে কোনো গেটম্যান নেই।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অন্য দুজনকে হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান।