শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরের পাহাড়তলী থানার বিটাক বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত হৃদয় সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের মান্দারীটোলা এলাকার মোহাম্মদ হারুনের ছেলে। নিহত সালাউদ্দিনও একই ইউনিয়নের দক্ষিণ মাহমুদাবাদ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফফর হোসেন।
.png)
মামলার বিবরণ ও র্যাব সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ‘রাইজিং স্টিল শিপ ব্রেকিং লিমিটেড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ড্রেজারে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন সালাউদ্দিন। গত ৩১ জানুয়ারি ড্রেজারে তেল চুরিকে কেন্দ্র করে রিফাত হোসেন ও তার সহযোগীদের সঙ্গে সালাউদ্দিনের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর একপর্যায়ে অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে সালাউদ্দিনকে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে নৌকায় করে গভীর সমুদ্রে নিয়ে তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
নিখোঁজের তিনদিন পর কোয়ানিয়া খালে কাদার ভেতর থেকে সালাউদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা সেটি শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয়ের আরো কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন।
র্যাব কর্মকর্তা এ আর এম মোজাফফর হোসেন বলেন, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত হৃদয়কে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সীতাকুণ্ড মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।