নিহতরা হলো- দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার কালুরচর এলাকার শের আলীর ছেলে আব্দুল মোতালেব (৬) ও তার মেয়ে খাদিজা (১২), একই উপজেলার ডাকাতিয়া পাড়ার জয়নালের মেয়ে মায়ামনি (১০), বেলতলি রেলগেট এলাকার হাবীবুল্লাহর ছেলে আবীর হোসেন (১৪) ও বালু গ্রামের জয়নালের ছেলে হাফেজ মিহাদ (১৬)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার সামনে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ড্রাম দিয়ে তৈরি ভাসমান সেতু দিয়ে ওপর প্রান্তে চরে যাতায়াত ও বিনোদনের ব্যবস্থা করে পৌর কতৃপক্ষ। আজ ঈদের দিন হওয়ায় ঘুরতে আসা মানুষের প্রচণ্ড ভিড় জমে ভাসমান সেতুর ওপর। মানুষের চাপে ভাসমান সেতুটি উল্টে মাঝখান ভেঙে মানষজন পানিতে পড়ে যায়।
.png)
এ সময় বেশিরভাগ মানুষ সাঁতার দিয়ে পাড়ে উঠে আসতে পারলেও বেশ কয়েকজন পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে খাদিজা, আব্দুল মোতালেব, মায়ামনি, হাফেজ মিহাদ এবং আবিরকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে দ্রুত উপস্থিত হয়ে উদ্ধার কার্যক্রমের সার্বিক নেতৃত্ব দেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে জরুরি উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ এবং নিখোঁজদের সন্ধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানের নির্দেশ দেন। শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শেখ রবিউল ইসলাম আকন্দ বলেন, এখন পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।