ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

পাবনায় ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ২ সদস্য গ্রেপ্তার 

পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:২৯, ২৭ জুন ২০২৬
পাবনায় ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ২ সদস্য গ্রেপ্তার 
পাবনায় ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ২ সদস্য গ্রেপ্তার 

পাবনায় ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) পরিচয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে এক প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

আটককৃতরা হলেন- পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের গাংকোলা সিংগা পালপাড়া এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে সুজন হোসেন (৩৪) এবং পাবনা পৌর সদরের শিবরামপুর এলাকার হাতেম আলীর ছেলে আরিফুল ইসলাম (৪০)।

আজ শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

জানা যায়, গতকাল শুক্রবার (২৬ জুন) দিবাগত রাতে জেলার পৃথক দুটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশিদুল ইসলাম।

তিনি জানান, আটককৃতরা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে ডিবি পুলিশের ভুয়া পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফোন করতো এবং নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতো। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে সেই চাঁদার টাকা গ্রহণ করে নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিতো।

ডিবি পুলিশ জানায়, এমন কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাঠে নামে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ সহায়তায় গাংকোলা এলাকা থেকে সুজন এবং শিবরামপুর এলাকা থেকে আরিফুল ইসলামকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধে ব্যবহৃত ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই মোবাইল ও সিমকার্ডগুলো কেবলই প্রতারণার কাজে ব্যবহার করা হতো। 

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশিদুল ইসলাম আরও জানান, এই চক্রের অন্য সদস্যরা ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে নিবন্ধিত সিমকার্ড বিভিন্ন অপরাধী চক্রের কাছে সরবরাহ করতো এবং নির্দিষ্ট বিকাশ এজেন্ট নম্বর ব্যবহার করে চাঁদার টাকা সংগ্রহ করতো। তারা দীর্ঘদিন ধরে একই কৌশলে সাধারণ মানুষের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় আটক দুই আসামিসহ আরও দুইজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনকে আসামি করে পাবনা সদর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতেও ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!