দণ্ডপ্রাপ্ত হাসান শেখ শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল গ্রামের ফজলু শেখের ছেলে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৭ মার্চ শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল গ্রামের কুমার নদের তীরে একটি পেঁপে বাগানের পাশে বাঁশ ঝাড়ের নিচ থেকে শিশু রাজিয়া খাতুনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় শিশুটির বাবা মিকিজ শেখ ২০২২ সালের ১৯ মার্চ বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
.png)
শিশুর মা ছবিরন নেছা জানান, ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাজিয়া ঘটনার দিন স্কুল থেকে ফিরে বিকেলে বাড়ির পাশের একটি জমিতে রসুন তুলতে বের হলে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরের দিন পেঁপে বাগানের পাশে বাঁশ ঝাড়ের নিচে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ চার বছর পরে এই মামলার রায় হলো। মামলার রায়ে সন্তুষ্ট হয়ে শিশুটির মা এই মৃত্যুদণ্ডের রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান।
মাগুরা মহিলা পরিষদের সভাপতি লাবণী জামান জানান, ওই ঘটনার পর থেকে আমরা ভিকটিমের বাড়ি ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং মাগুরায় মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছি। চার বছর পরে হলেও আসামির ফাঁসির আদেশ হয়েছে। তবে দ্রুত এই আদেশ কার্যকর দেখতে চাই আমরা।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে হাসান শেখ দোষী প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট, রায়টি দ্রুত কার্যকর হবে বলে আশা করি।
আসামির আইনজীবী মনির হোসেন বাবলু জানান, রায়ে আমরা সন্তুষ্ট না। এ রায়ের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করবে।