বুধবার দুপুরে বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় দেন। রায়ে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন তিনি।
মামলা বিবরণী থেকে জানা যায়, শফিকুল ইসলাম শপু প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে যোগাযোগ রাখায় প্রায় ঝগড়াঝাটি হত দ্বিতীয় স্ত্রী ইতির সঙ্গে। এরই জেরে ২০১৯ সালে ১০ জুন সন্ধ্যায় ইতি স্বামী শপুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে হাবুন ব্যাপারী মোড় এলাকার বাড়ির সামনের পুকুরের কচুরিপানার ভেতরে লুকিয়ে রাখেন। ১৩ জুন পুকুর থেকে শপুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
.png)
এ ঘটনায় নিহতের মা কোতোয়ালি মডেল থানায় ইতি ও তার ভাই দ্বীন ইসলামকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ইতিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযাগ প্রমাণিত না হওয়ার আদালত তাকে খালাস দেন।
তবে মামলার বাদী ও নিহতের মা নুরুন্নাহার আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট নন । রায় ঘোষণার পর তিনি বলেন, তিনি আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেছিলেন।
ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার পর আদালত আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন এবং তাকে সাজা ভোগের জন্য ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।