মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে পিরোজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী মো. মানিক শেখ অভিযোগ করেন, গত পাঁচ বছরে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এলাকার অন্তত ১০ জনের কাছ থেকে প্রায় ১৪ লাখ টাকা নিয়েছেন আব্দুল হক। প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করারও অভিযোগ করেন তিনি।
.png)
এ ছাড়া পশ্চিম কদমতলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসায় নিয়মিত ক্লাস ও আবাসিক শিক্ষার্থী না থাকলেও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে প্রায় ১৭০ জন শিক্ষার্থীর ভুয়া তালিকা জমা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগও করা হয়।
ভুক্তভোগী মনিরা জেসমিন অভিযোগ করেন, চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে আব্দুল হক তার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়েছেন। অন্যদিকে, আতিকুর রহমানের অভিযোগ, মাদরাসাটির প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুল হক। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। একটি চক্র ষড়যন্ত্র করে তাকে হেয় করার চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে মো. মানিক শেখ, আব্দুর রাজ্জাক, মো. আতিকুর রহমান, মনিরা জেসমিনসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।