গুলিবিদ্ধ শিমুল ওই এলাকার বাসিন্দা মুকুলের স্ত্রী। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সার্জারি ৯-১০ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা বর্তমানে শঙ্কামুক্ত।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, ৮ থেকে ১০ জন দুর্বৃত্ত করিমনগর এলাকায় শিমুলের বাসায় গিয়ে তার ছেলে হৃদয়কে খুঁজতে থাকে। এ সময় হৃদয়কে না পেয়ে দুর্বৃত্তরা তার বাবা মুকুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তবে গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে শিমুলের কোমরে বিদ্ধ হয়।
.png)
গুলির শব্দ ও শিমুলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, গুলিবিদ্ধ নারীর ছেলে হৃদয়ের সঙ্গে দুর্বৃত্তদের অভ্যন্তরীণ কোনো বিরোধ থাকতে পারে। তাকে না পেয়ে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।