পাশের হারের দিক থেকে সবচেয়ে ভালো করেছে ভাটামাথা উচ্চ বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ে ৫৪ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে ৪৯ জন। গড় পাশের হার ৯০.৭৪।
এবার উপজেলায় সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে নাছরীন নবী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। এই বিদ্যালয় থেকে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১৪৬ জন পাশ করে। এরমধ্যে জিপিএ-৫ রয়েছে ১৩ জন। পাশের হার রয়েছে ৬৮.২২।
.png)
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১ হাজার ৪২৬ জন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে পাশ করেছে ৯১৮ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৫০৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭ জন। শতকরা পাশের হার ৬৪.৩৭।
আখাউড়া নাছরীন নবী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১৩, বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ৪,দেবগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ৪, মোগড়া উচ্চ বিদ্যালয় ৩, তুলাই শিমুল উচ্চ বিদ্যালয় ১, হীরাপুর শহীদ নোয়াব মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২, রানীখার এসএ হান্নান কারিগরি ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৪, ছতুরা চান্দপুর স্কুল এন্ড কলেজ ১, ঘোলখার রানীখার উচ্চ বিদ্যালয় ২, কর্মমঠ উচ্চ বিদ্যালয় ১, ভাটামাথা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ২ জন জিপিএ-৫ রয়েছে।
এদিকে দাখিল পরীক্ষায় উপজেলার ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৪৪৮ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে ২২৯ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ২১৯ জন। শতকরা পাশের হার ৪৮.৮৮। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
এরমধ্যে টেকনিক্যাল ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ১ জন ও মাদ্রাসাতু ছালেহা খাতুন দাখিল মাদরাসা থেকে ১ জন জিপিএ-৫ রয়েছে।
কারগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১০১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে পাশ করেছে ২৬ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৭৫ জন। শতকরা পাশের হার ২৫.৭৪। এরমধ্যে সরকারী ভোকেশনাল টেক্সটাইল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
আখাউড়া উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো: কফিল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, এবার তুলমামূলকভাবে ফলাফল ভালো হয়েছে। সর্বমোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪১ জন।