অপরদিকে একই সময়ে জেলার দীঘিনালায় উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় ৮০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বৃষ্টিতে দীঘিনালা-মাইনি ও দীঘিনালা-কবাখালী সড়কসহ নীলমঞ্চল, জামতলী ও হিন্দুপাড়া এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।
দীঘিনালা চৌমুহনী স্টিল ব্রিজের দুই পাশের সড়কের ওপরও পানি উঠেছে। এছাড়া দীঘিনালা-মাইনি ও দীঘিনালা-লংগদু সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
.png)
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দীঘিনালায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গত নয় বছরের মধ্যে এমন আকস্মিক বন্যা তারা দেখেননি। পানি আরও বাড়লে পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক জানান, আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থতে জন্য শুকনা খাবার ও থাকার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। প্রশাসনেন পক্ষ থেকে দুর্গতদের দ্রুত সহাযোগীতা করা হবে বলে জানান তিনি।