রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ সড়কের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের তেবাঘা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন তাড়াইল উপজেলার মিলন (৩০), তাঁর পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে জারা মনি (৫) এবং হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার রাবেয়া (৪০)।
.png)
আহতদের মধ্যে পিয়া ও রবিউল আলমের নাম জানা গেছে। তবে অন্য আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে কিশোরগঞ্জ থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাত্রীরা কটিয়াদীর দিকে যাচ্ছিলেন। পথে আচমিতা ইউনিয়নের তেবাঘা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ কাভার্ড ভ্যানকে দ্রুত ওভারটেক করার চেষ্টা করেন অটোরিকশাচালক। এ সময় পিকআপের সঙ্গে অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হলে সেটি সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে। মুহূর্তেই অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর আহতদের কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।
এদিকে হাসপাতালে সরকারি অ্যাম্বুল্যান্স না থাকায় আহতদের কিশোরগঞ্জ জেলা হাসপাতালে পাঠাতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। পরে বিকল্প ব্যবস্থায় তাঁদের জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা. আনিসুর রহমান তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আহতদের মাথায় আঘাত রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
কটিয়াদী হাইওয়ে পুলিশের এসআই নবীনুর বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত পিকআপটি আটক করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।