আহতদের ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় উপজেলা বিএনপির নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর আগে গত ২৭ জুলাই একই বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে দুজন নিহত হন।
.png)
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আকবরনগর ও মিরারচর গ্রামের পাশ দিয়ে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কটি গেছে। মহাসড়কের ওই বাসস্ট্যান্ড ও বাজারের নামকরণ নিয়ে কয়েক দশক ধরে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। আকবরনগরের বাসিন্দাদের দাবি, বাজারটির নাম আকবরনগর রাখতে হবে। অন্যদিকে মিরারচরের বাসিন্দারা এটিকে ‘মিরারচর বাসস্ট্যান্ড’ নামে নামকরণের দাবি করে আসছেন।
এ বিরোধকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে অন্তত পাঁচবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ একাধিকবার সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি।
পুলিশ জানায়, রোববার দুপুর ১টার দিকে মিরারচর গ্রামের কয়েকজন যুবক বাজারে গেলে আকবরনগরের যুবকদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও মারামারি হয়। এর জেরে উভয় পক্ষের লোকজন ইটপাটকেল, লাঠিসোঁটা, দা, বল্লম ও টেঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
ভৈরব সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ বলেন, বাজারের নামকরণ নিয়ে দুই গ্রামের লোকজন আবারও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছিলেন। পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।