মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভৈরব পৌর শহরের পঞ্চবটী-ঘোড়াকান্দা এলাকার হাজী আবুল হাসেমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি গোডাউন থেকে এসব জাল জব্দ করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পঞ্চবটী-ঘোড়াকান্দা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় একটি গোডাউনে মজুদ করে রাখা ২২ বস্তা চায়না দুয়ারি রিংজাল উদ্ধার করা হয়। বস্তাগুলোতে মোট ৪৪০ পিস জাল ছিল বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা। উদ্ধার করা জালের বাজারমূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা।
.png)
অভিযানের সময় জাল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে টুটুল দাসকে আটক করা হয়। তিনি ভৈরব বাজারের এস কে টাওয়ারে অবস্থিত মেসার্স সুমন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রানার অধীনে কর্মরত বলে অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভৈরব উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ এইচ এম আজিমুল হক ওই ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে জব্দ করা ২২ বস্তা অবৈধ রিংজাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
ভৈরব উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি, রিংজাল ও কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে এসব জাল মজুদ, বিক্রি কিংবা ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ এইচ এম আজিমুল হক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ রিংজাল উদ্ধার করা হয়েছে। অবৈধ জাল মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি। এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযানে উপজেলা মৎস্য অফিস ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।