শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল।
তিনি জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থলবন্দরের সঙ্গে বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় ভারতের হিলি স্থলবন্দর পিছিয়ে পড়ায় সেখানকার অনেক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এতে শত শত ব্যবসায়ী নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এসব কারণে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। পরে ভারতীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আশ্বাস পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা তাদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন।
.png)
এর ফলে ছয় দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার দুপুর ১২টা থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি পুনরায় শুরু হয়েছে।
দুপুর থেকে বাংলাদেশের পণ্যবাহী ট্রাক ভারতে প্রবেশ করছে। একই সঙ্গে ভারত থেকে পণ্যবাহী ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করছে। বন্দরে পণ্য আনলোড করার পর দেশীয় ট্রাকে সেগুলো লোড করে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হচ্ছে।
এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া জানান, দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের পারাপার স্বাভাবিক ছিল। শনিবারও যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।