ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানের মালিকের দাবি, ভাড়ার চুক্তিতে বাকি টাকা পরিশোধের সময়সীমা এখনো শেষ না হলেও কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সাটারে তালা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পশ্চিম পাশে ওমর আলী ফরাজী প্লাজার আন্ডারগ্রাউন্ডে অবস্থিত নুর পেপার অ্যান্ড তাকওয়া প্রিন্টিং প্রেসে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
.png)
অভিযোগ ও ভাড়ার চুক্তিনামা সূত্রে জানা গেছে, গত ১ মে ভবনমালিক মো. আফছার উদ্দিন ফরাজীর সঙ্গে তিন বছরের জন্য ভাড়ার চুক্তি করেন প্রেসের মালিক শান্ত নুর। চুক্তি অনুযায়ী মোট ২০ লাখ টাকা জামানত নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা নগদ পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি ১০ লাখ টাকা আগামী ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে পরিশোধ করার কথা রয়েছে।
শান্ত নুরের অভিযোগ, শুক্রবার রাতে তিনি ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা কর্মস্থল ত্যাগ করার পর কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই ভবনমালিক প্রেসের সাটারে তালা ঝুলিয়ে দেন। পরদিন সকালে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তালা দেখতে পান তিনি। পরে মোবাইল ফোনে ভবনমালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বাকি ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করলেই তালা খুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
শান্ত নুর বলেন, ‘চুক্তি অনুযায়ী বাকি টাকা দেওয়ার সময় এখনো আসেনি। তারপরও টাকা আদায়ের জন্য প্রতিষ্ঠানে তালা দেওয়া হয়েছে। এতে আমার ব্যবসা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে এবং আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।’
তবে ভবনমালিক আফছার উদ্দিন ফরাজী বলেন, ‘আমাকে টাকা দেওয়ার কথা বলে ঘুমাচ্ছে। তাই তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
এ ঘটনায় বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে শনিবার শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন শান্ত নুর।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম বলেন, ‘অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’