গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. শাকিল হোসেন (২২) ও মো. নিহাদ (১৯)।
পুলিশ ও জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ব্যবসায়িক কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন বোরহানউদ্দিনের বাসিন্দা সিয়াম হোসেন রনি (২১)। পথে উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের হাজিরহাট এলাকায় কবির বিশ্বাসের পরিত্যক্ত ইটভাটার পাশের সড়কে মোটরসাইকেলটি রেখে প্রাকৃতিক কাজে যান তিনি।
.png)
কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে সিয়াম দেখতে পান, তাঁর মোটরসাইকেলটি সেখানে নেই। পরে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও সেটির সন্ধান না পেয়ে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানান।
এরপর মোটরসাইকেলে থাকা GPS ট্র্যাকার পরীক্ষা করে এর অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এতে দেখা যায়, মোটরসাইকেলটি নদীপথে বরিশালের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দ্রুত উদ্ধারের জন্য সিয়ামের বড় ভাই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান।
৯৯৯-এর মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানাকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ ও বন্দর থানা পুলিশের সমন্বয়ে অভিযান শুরু করা হয়।
পুলিশের অভিযানিক দল বরিশালের লাহারহাট স্পিডবোট ঘাটে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে স্পিডবোট থেকে নামার সময় ঢাকা মেট্রো-ল-৬০-০০৩৭ নম্বরের চুরি যাওয়া ইয়ামাহা R15-M মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় মোটরসাইকেলটির সঙ্গে থাকা শাকিল হোসেন ও নিহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভোলা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার এর দিকনির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে GPS ট্র্যাকিং ও সিসিটিভি ফুটেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত মোটরসাইকেলটির অবস্থান শনাক্ত করায় সেটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার আগেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সিয়াম হোসেন রনি বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা করেছেন। ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে করা মামলাটির নম্বর ০৮। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রেপ্তার দুই যুবকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ভোলা জেলা পুলিশ আরও জানিয়েছে, চুরি ও অন্যান্য অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।