ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

ভোলায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৩৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:৫৬, ২২ অক্টোবর ২০২৬
ভোলায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৩৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা
ভোলায় কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্বরূপ ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভোলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ১৩৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ। কৃতী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং মেধাবী ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে ভোলার সাবেক মন্ত্রী মরহুম মোশারেফ হোসেন শাহজাহানের বাসভবন প্রাঙ্গণে সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ। ভালো ফলাফলের পাশাপাশি তাদের সৎ, মানবিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। পরীক্ষায় ভালো করার পাশাপাশি দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতাও অর্জন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সম্মাননা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল অর্জন এবং নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে অনুপ্রাণিত করবে।

জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ, ভোলার প্রধান সমন্বয়ক আসিফ আলতাফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, জাতীয় বন্ধুজন পরিষদের প্রধান সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ ইউনুস, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সেলিম ভিপি, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মাসুদ, সদস্য সচিব মুনতাসীর আলম চৌধুরী রবিন, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ রুবেল। এ ছাড়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে আসিফ আলতাফ বলেন, ভোলার মতো ছোট্ট পৌর শহর থেকে এতসংখ্যক শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন অত্যন্ত আনন্দের। এসব শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে নিজেদের যোগ্যতা ও মেধার স্বাক্ষর রেখে অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত হয়েও নিজেদের শহর ও শিকড়কে ভুলে না যায়, সেই ভাবনা থেকেই তাদের জন্য স্মরণীয় কিছু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোলার সঙ্গে তাদের শৈশব ও শিক্ষাজীবনের সুন্দর স্মৃতি জড়িয়ে থাকুক, এটাই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। মেধাবী ও মানবিক জাতি গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

সংবর্ধনা পর্ব শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে কৃতী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ভোলা/এমকে
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!