ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

সাগরে লঘুচাপ, কুড়িগ্রামে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:০৯, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
সাগরে লঘুচাপ, কুড়িগ্রামে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি

কুড়িগ্রাম রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেছেন, বৃহস্পতিবার সকালে কুড়িগ্রামের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাগরে লঘুচাপের কারণে এইরুপ আবহাওয়া বিরাজ করছে। শুক্রবার নাগাদ আকাশের অবস্থা ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

এমন আবহাওয়া বুধবার থেকে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিরাজ করায় জনজীবন বির্পযস্ত হয়ে পড়েছে। মেঘলা আকাশে এখানে সূর্যের দেখা মিলছে না। গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি ও হিমেল বাতাসে আবহাওয়ায় মানুষের চলাফেরা বাধার মুখে পড়েছে। শিশু শিক্ষার্থীদের স্কুলে নিতে অভিভাবাবকরা বিপাকে পড়েন। দিনমজুর শ্রেণির অনেকেই দৈনন্দিন কাজ নিয়ে পড়েছেন বিপাকে। ঘর থেকে বের হতে ছাতার উপর ভরসা করতে হচ্ছে সবাইকে। বৈরি আবহাওয়ায় এখানকার হাট-বাজারে কাঁচা মরিচের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। এখানে অন্যান্য ব্যবসায় দেখা গেছে মন্দাভাব।

নাগেশ্বরী শিশু বিতানের নার্সারী বিভাগের শিক্ষার্থী শিশু মোহনার দাদা আব্দুর রহমান বলেন, গত দুইদিনের গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিতে তিনি তার নাতনীকে ৩ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আনা নেয়ায় কষ্টে পড়েছেন। নাতনীর মাসিক পরীক্ষা হচ্ছে তাই এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ছাতার সাহায্য নিয়েছেন। তারপরেও নিজে বৃষ্টির পানিতে ভিজলেও নাতনীকে নিরাপদে রেখেছেন বলেও জানান তিনি।

Advertisement

ফুলবাড়ী পানিমাছকুটি এলাকার দিনমুর ঘোড়ার গাড়ি চালক রবী চন্দ্র সেন বলেন, দৈনিক আয়ের একমাত্র ভরসা ঘোড়ার গাড়ি। এই ঘোড়ার গাড়িতে বিভিন্ন মালামাল পরিবহন করে তিনি খাদ্যের যোগান পান। কিন্তু দুইদিনের বৈরি আবহাওয়ায় ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে বের হতে না পারায় কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। ঘরে খাদ্যে সংকটে পড়েছেন।

মরিচ ব্যবসায়ী আব্দুস ছালাম বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে অন্যান্য কাঁচা মালের চেয়ে এখানে মরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈরি আবহাওয়ায় আড়ৎ এ কাঁচা মরিচের আমদানি কমে যাওয়ায় কাঁচা মরিচের চাহিদার সঙ্গে দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি মরিচ ৩০ টাকা কেজির বদলে এখন দাম বেড়ে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানান মরিচ ব্যবসায়ী আব্দুস ছালাম।

কাপড় ব্যবসায়ী সাইদুল খন্দকার বলেন, গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির কারণে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বৃহস্পতিবার সকার থেকে দুপুর গড়িয়ে গেলেও তিনি কাস্টমারের নাগাল পাননি। এতে তার ব্যবসায় মন্দাভাব দেখা দিয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!