নিহত গোলাপী বেগম ওই গ্রামের গোলাম মামুদের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী নাদের আলী ওরফে নেন্দুর একই গ্রামের মনির উদ্দিনের ছেলে।
ঘটনার পর থেকে নেন্দু গা ঢাকা দিয়েছে। এদিকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
.png)
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানার ওসি (তদন্ত) রাজিফুজ্জামান বসুনিয়া রাজিব বলেন, ১২ বছর আগে গোলাপীর সঙ্গে নেন্দুর বিয়ে হয়। কিছুদিন ধরে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ের জন্য অনুমতি চেয়ে গোলাপীর কাছে কাগজে স্বাক্ষর চায়। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদও হয়।
ওসি বলেনৈ, রোববার বিকেলে আবারো স্ত্রীর কাছে দ্বিতীয় বিয়ের জন্য অনুমতি চেয়ে কাগজে স্বাক্ষর চাইলে অসম্মতি জানান গোলাপী। এতে নেন্দু ক্ষিপ্ত হয়ে গোলাপীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করা হয়। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
রাজিফুজ্জামান আরো বলেন, মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হবে।
রংপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (মাহিগঞ্জ জোন) ফারুক আহমেদ বলেন, নিহততের গলায় দাগের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর হত্যার রহস্য জানা যাবে।
ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর