ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ অর্থনীতি ]

মানি এক্সচেঞ্জের কারসাজিতে টালমাটাল ডলারের বাজার

অর্থনীতি প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯:২৫, ৪ জানুয়ারি ২০২৫
মানি এক্সচেঞ্জের কারসাজিতে টালমাটাল ডলারের বাজার
ডলার- ফাইল ফটো

মানি এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর কারসাজিতেই টালমাটাল হয়ে পড়েছিল দেশের ডলারের বাজার। এরই মধ্যে কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করতে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা জানান, ১২৮ টাকা পর্যন্ত ডলারের দর ওঠার পেছনে কারো অনৈতিক দায় থাকলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় ১২৩ টাকার উপরে ডলার কিনছে না বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো।

Advertisement

অন্তবর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরের মাস তিনেক ১২০ থেকে ১২২ টাকার মধ্যে মোটামুটি স্থিতিশীল ছিল ডলারের বাজার। এই সময়ে প্রায় পৌনে তিন বিলিয়নের দায়-দেনা মাত্র ৪০০ মিলিয়নে নিয়ে আসে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে স্বস্তির পালে নতুন করে অস্বস্তির হাওয়া লাগে ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে। কোনো কারণ ছাড়াই খোলা বাজারে ডলার দাম উঠে যায় ১২৮ টাকায়।

গেল ৬ মাসের তথ্য উপাত্ত অনুযায়ী, বর্তমানে আরো স্থিতিশীল হওয়ার কথা ছিল ডলারের বাজারের। কেননা জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে রফতানি আয় এসেছে ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি। সেই সঙ্গে রেমিট্যান্স প্রবাহও ছিল সোয়া দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি। এই দুই খাত থেকে গড় আয় ছিল প্রায় ৭ বিলিয়ন করে। বিপরীতে একই সময়ে আমদানি নিষ্পত্তি হয় গড়ে ৫ বিলিয়ন হারে। সেই হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকার কথা বড় একটা অংশ। অথচ এরপরও অস্থিরতা কাটেনি ডলারের বাজারে।

অবস্থা অনুকূলে আনতে ডলার কেনার ক্ষেত্রে মৌখিক নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সে অনুযায়ী, এক্সচেঞ্জ হাউজ থেকে ক্রয়মূল্য সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা। আর এই সিদ্ধান্তের পর কিছুটা দাম কমে খোলা বাজারে। অন্যদিকে দাম বৃদ্ধির পেছনে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের কারসাজির কথাও বলছেন কেউ কেউ, যেগুলোর বিরুদ্ধে নেয়া হতে পারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও।    

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ডলারের দর নির্ধারণ ও বাজারমুখী করতে ৫ জানুয়ারি থেকে নতুন ব্যবস্থা শুরু হচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!