তাই আপনাদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে আমাদের এই ধারাবাহিক আয়োজন...
ইথিওপিয়া
.png)
আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া। এর উত্তর ও উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া, পূর্বে জিবুতি ও সোমালিয়া, পশ্চিমে সুদান ও দক্ষিণে কেনিয়া। আদ্দিস আবাবা দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। ভূমিবেষ্টিত এই দেশটি আফ্রিকার দ্বিতীয় ঘনবসতিপূর্ণ দেশ।
ইথিওপিয়ার ইতিহাস বেশ পুরনো। আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় উপনিবেশ থেকে তারাই প্রথম স্বাধীনতা লাভ করে। দেশটি মাত্র পাঁচ বছর ইতালির উপনিবেশ ছিল।
বিংশ শতাব্দী পর্যন্তও দেশটি আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিল। প্রথম শতাব্দীতে এখানে আকসুম নামের একটি শক্তিশালী খ্রিস্টান সাম্রাজ্যের পত্তন হয়। ১৬শ শতকের পরে ইথিওপিয়া অনেকগুলি ক্ষুদ্র রাজ্যে বিভক্ত হয়ে যায়। ১৮৮০-র দশকে রাজা ২য় মেনেলিক- এর অধীনে এগুলি পুনরায় একত্রিত হয়।
১৯৫০-এর দশক থেকে ইরিত্রিয়া ইথিওপিয়ার একটি অংশ ছিল, কিন্তু ১৯৯৩ সালে এটি বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করে।
ইথিওপিয়াই হচ্ছে আফ্রিকার একমাত্র দেশ, যারা বিংশ শতাব্দীতে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পরই এর সদস্যপদ লাভ করে দেশটি।
ধারণা করা হয়, আধুনিক মানুষের প্রথম বাস ছিল ইথিওপিয়ায়। পরে তারা মধ্যপ্রাচ্যসহ নানা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
খ্রিস্টের জন্মের পূর্বে ইথিওপিয়া ছিল রাজা শাসিত। বহুভাষী মানুষের দেশ ইথিওপিয়া।
বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো গীর্জাগুলোর একটির অবস্থান ইথিওপিয়ায়।
এক নজরে ইথিওপিয়া:
সরকারি নাম: ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব ইথিওপিয়া।
রাজধানী: আদ্দিস আবাবা।
সরকার পদ্ধতি: ফেডারেল পার্লামেন্টারি রিপাবলিক।
আইনসভা: উচ্চ কক্ষ: হাউজ অব ফেডারেশন।
নিম্নকক্ষ: হাউজ অব পিপলস রিপ্রেজেন্টেটিভস।
আয়তন: ১১ লাখ ৪ হাজার তিনশ বর্গকিলোমিটার।
জনসংখ্যা: ১০ কোটি ২৪ লাখ ৩ হাজার ১৯৬ জন ।
ঘনত্ব: প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৯২.৭ জন।
মাথাপিছু জিডিপি: ১ হাজার ৮৬৯ ডলার।
মুদ্রা: বির।
ভাষা: আমহারি।
জাতিসংঘে যোগদান: ১৩ নভেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ