মারধরের শিকার শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আঘাতে তার চোখের উপড়ে কেটে গেছে এবং দুটি সেলাই দেয়া হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থী সাদিক বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। অপরদিকে অভিযুক্ত মাসুম শিকদার বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী। উভয়ের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায় এবং তারা ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
.png)
জানা যায়, রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা আরিফ তালুকদার নামে এক ভর্তিচ্ছুকে নিয়ে ঘুরতে বের হন সাদিক। শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে গেলে মাসুম শিকদারের সঙ্গে ভর্তিচ্ছু সাদিকের দেখা হয়। ভর্তিচ্ছুর বাড়ি টাঙ্গাইলে শুনে তাকে নানাভাবে প্রশ্ন শুরু করেন মাসুম শিকদার। এ সময় সাদিক মারধরে অভিযুক্ত মাসুম শিকদারকে র্যাগ দিতে না করেন। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মাসুম শিকদার চাবির রিং দিয়ে সাদিককে আঘাত করেন। এতে তার চোখের কেটে যায়।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত মাসুম শিকদার বলেন, আমি কোনো ধরনের র্যাগিং করিনি। সাদিক আমার খুব কাছের বন্ধু। একসঙ্গে থাকলে আমরা সবসময়ই এমন মারামারি-কিল ঘুষি দেই। সব সময় মজা করি আমরা। তবে আজকে বেকায়দায় লেগে গেছে।
বিষয়টি জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমানকে মোবাইলে একাধিকার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।