সমাজের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তি, মহল্লায়-মহল্লায়, বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ফান্ড কালেক্ট করে এবং নিজ তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহ করে এই সহায়তা পাঠান তারা৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ র্যালি’র দেখানো নির্দেশনা অনুসরণ করে এই পুরো কার্যক্রমটি এগিয়ে নেয় সংগঠনটি।
সোমবার (২৪ মে) ‘ছবিঘর’ সংগঠনের শিক্ষার্থীরা মধ্যরাতে তাদের কষ্টার্জিত টাকা ‘মোহাম্মদ র্যালি’র মাধ্যমে হস্তান্তর করেন। সংগঠনটি তাদের খাদ্য ও ত্রাণ সহায়তার উদ্দেশ্যে পাঠানো নগদ টাকাকে ‘ভালোবাসা পাঠিয়েছি’ বলে অভিহিত করছেন।
.png)
এই সহায়তা পাঠানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রথম কোনো একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাতে সরাসরি ত্রাণ বিতরণের উদ্দেশে নগদ অর্থ পাঠালো। এর পাশাপাশি কিছুদিনের মধ্যে তারা আরো প্রায় ১০০ পরিবারের জন্য নগদ অর্থ ও ওষুধ পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে ‘ছবিঘর’র নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।
কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দ্বারা গঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ছবিঘর’ সরাসরি তাদের ত্রাণ বিতরণের নিমিত্তে নগদ অর্থ পৌঁছে দিয়েছেন ফিলিস্তিনের গাজাতে। ছবিঘরের পক্ষ থেকে প্রায় ২০টি পরিবারের জন্য প্রথমে প্রায় ২০ হাজার টাকা সাহায্য পাঠানো হয়।
ছবিঘরের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন ‘মোহাম্মদ র্যালি’ নামের ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী।
সহায়তা পাঠানোর বিষয়ে ‘ছবিঘর’র সাধারণ সম্পাদক রাতুল ঘোষ বলেন, তারা প্রথমেই চেষ্টা করে ফিলিস্তিনের গাজাতে সরাসরি ত্রাণ পাঠাতে। এ ব্যাপারে প্রথমে ছবিঘরের সদস্য ইরফান মাসুদ জারিফের সাহায্যে এক ফিলিস্তিনি নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। কিন্তু পরবর্তীতে যোগাযোগ করার পর ফিলিস্তিনি সেই নাগরিক তা পাঠানোয় অসমর্থ হলে সবাই ভেঙে পরে। পরে আমরা আরো একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হই এবং আমাদের কার্যক্রম সফল করি।
ছবিঘরর প্রতিষ্ঠিতা সভাপতি প্রিন্স ঘোষ জানান, তারা সবাই মিলে চেষ্টা করে ত্রাণের পাঠানোর লক্ষে টাকা সংগ্রহ করতে এবং তা ফিলিস্তিনে প্রেরণ করতে। আমরা আমাদের ভালোবাসা ফিলিস্তিনের মানুষের জন্য পাঠিয়েছি এবং আমরা সব সময়ই তাদের সঙ্গেই আছি।
এই কার্যক্রমে সাহায্য করা ফিলিস্তিনি নাগরিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ‘মোহাম্মদ র্যালী’ জানান, সাধারণ ফিলিস্তিনিদের এখন সাহায্য দরকার, গাজাবাসী কেউ ভালো নেই, বাংলাদেশ ও ছবিঘর’র এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসার জন্য তারা হৃদয় থেকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।