এর আগে মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) দুপুর একটার দিকে ডিসেম্বরের মধ্যে বিশেষ পরীক্ষার দাবিতে নীলক্ষেত মোড়ের অবরোধ করে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা৷ এর পরে টানা দুই ঘণ্টা আশপাশের বিভিন্ন সড়ক যানজটের কবলে পড়ে।
বিকেল তিনটার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
.png)
ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষক আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করে বিশেষ পরীক্ষার বিষয়ে বিবেচনা করা হবে এবং আগামীকাল বিষয়টি নিয়ে সাত কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে জরুরি সভা করবেন বলে জানান। এরপর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন প্রত্যাতার করে নেন।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, শিক্ষকরা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন যে আগামীকাল সাত কলেজের অধ্যক্ষদের নিয়ে মিটিং করবেন৷ এজন্য আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিলাম। আগামীকাল বিকেলের মধ্যে আমাদের পক্ষে সিদ্ধান্ত না আসলে বৃহস্পতিবার সকালে আবারো আন্দোলনে নামবো৷
সরকারি সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, আমাদের চার-পাঁচটা পরীক্ষা চলমান। ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা আছে। ডিসেম্বরে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না। জানুয়ারিতে নেয়া যায় কিনা সেটা আমরা বিবেচনা করে দেখছি। শিক্ষার্থীদেরও প্রস্তুতির বিষয় আছে। বারবার এভাবে আন্দোলন কেনো? আমার মনে হয় এখানে অন্য কোন উদ্দেশ্যও রয়েছে। সাত কলেজের প্রিন্সিপালদের সিদ্ধান্ত দেয়ারও এখতিয়ার নেই। সিদ্ধান্ত দিবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।