ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

রাবিতে যাদের জন্য পিএইচডি ডিগ্রি

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩:৩৮, ২৭ ডিসেম্বর ২০২১
রাবিতে যাদের জন্য পিএইচডি ডিগ্রি
ফাইল ছবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চালু আছে পিএইচডি ডিগ্রি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৮টি বিভাগেই পিএইচডি ডিগ্রি চালু রয়েছে। যোগ্যতা থাকে যে কেউ এসব ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন।  

যোগ্যতাঃ

১. অবশ্যই এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার সনাতন পদ্ধতিতে যে কোনো একটিতে ন্যূনতম প্রথম বিভাগ ও অন্যটিতে ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা গ্রেডিং পদ্ধতিতে উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.৭৫ থাকতে হবে।

Advertisement

তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এবং এমফিল ডিগ্রিপ্রাপ্তরা পিএইচডিতে ভর্তির জন্য প্রাথমিক আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন।

২. কলা/সামাজিক বিজ্ঞান/চারুকলা অনুষদভুক্ত বিভাগগুলো থেকে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্নাতক (সম্মান)/সমমান এবং স্নাতকোত্তর পরীক্ষার সনাতন পদ্ধতিতে যে কোনো একটিতে ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ ও অন্যটিতে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। তবে কলা অনুষদভুক্ত ইংরেজি বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। অথবা গ্রেডিং পদ্ধতিতে সিজিপিএ ৪ স্কেলের মধ্যে উভয় পরীক্ষার একটিতে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.২৫ ও অন্যটিতে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে।

৩. আইন/বিজ্ঞান/বিজনেস 

স্টাডিজ/জীববিজ্ঞান/কৃষি/প্রকৌশল/ভূবিজ্ঞান/ফিশারিজ/ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস অনুষদভুক্ত বিভাগগুলো থেকে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্নাতক (সম্মান)/(সমমান) এবং স্নাতকোত্তর পরীক্ষার সনাতন পদ্ধতিতে উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে অথবা গ্রেডিং পদ্ধতিতে সিজিপিএ ৪ স্কেলের মধ্যে উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.২৫ থাকতে হবে। এমবিবিএস/বিডিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সনাতন পদ্ধতিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। ডিভিএম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সনাতন পদ্ধতিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর অথবা গ্রেডিং পদ্ধতিতে সিজিপিএ ৪ স্কেলের মধ্যে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে।

৪. কোনো প্রার্থীর যদি ১, ২ ও ৩ নং শর্তে বর্ণিত যোগ্যতা থাকে এবং তিনি যদি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন/সরকারি বৃত্তি/বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ফেলোশিপ অর্জন করে থাকেন, তাহলে তারা পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

৫. এছাড়াও ১, ২, ৩ নং শর্ত অনুযায়ী যোগ্যতাসহ (ক) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত)/সরকারি কলেজে সাত বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা অথবা (খ) অনার্স পর্যায়ের বেসরকারি ডিগ্রি কলেজে অনার্স শ্রেণিতে সাত বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা অথবা (গ) কোনো স্বীকৃত গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সাত বছরের গবেষণাকাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে এক্ষেত্রে কোনো স্বীকৃত জার্নালে ন্যূনতম তিনটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে থাকলে প্রার্থী পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য প্রাথমিক আবেদন করতে পারবে। তবে শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে দ্বিতীয় বিভাগ/শ্রেণি/সিজিপিএ ৩.০০ এর কম থাকলে ভর্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

আবেদন করতে যা লাগবেঃ আবেদনপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে হবে। সেই আবেদনপত্রের সঙ্গে সব পরীক্ষার সনদ ও মার্কস সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে। ভর্তির প্রাথমিক আবেদনপত্রে সরবরাহকৃত তথ্যাদি ভুল প্রমাণিত হলে আবেদনপত্র বাতিল হবে।

সুযোগ-সুবিধাঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক পিএইচডি কোর্সে ভর্তিপ্রাপ্ত গবেষকদের মধ্য থেকে প্রতি বিভাগে একজনকে মাসিক চার হাজার টাকা হারে দুই বছরের জন্য ফেলোশিপ দেয়া হবে। পিএইচডি কোর্সে গবেষণারত চাকরিজীবীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোনোও ধরনের ফেলোশিপ দেয়া হয় না। চাকরিরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অনুমতি থাকবে হবে। পিএইচডি কোর্সে গবেষণার জন্য দুই বছরের ছুটি পাবেন, এই মর্মে সম্মতিপত্র (নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের) অবশ্যই আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

কবে আবেদন ও ভর্তিঃ প্রত্যেক বছরই পিএইচডি ডিগ্রিতে গবেষকদের ভর্তি করানো হয়। তবে এর কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। বছরে একবার ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। প্রথমে প্রাথমিক আবেদন করতে হয়। আবেদন প্রক্রিয়া যাচাই বাছাই শেষে ভর্তির জন্য মনোনিত করা হয়।

আবেদনের লিংক ও বিস্তারিতে জানতে ক্লিক করুন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!