বৃহস্পতিবার সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব খান মো. রেজা-উন-নবী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
আরো পড়ুন: জিপিএ ৫ আছে, নেই সাফিয়া
.png)
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত এবং গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি এবং পোস্ট ডক্টরাল পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকদের এ ফেলোশিপের মাধ্যমে অনুদান প্রদান করা হয়। চারটি পৃথক আদেশের মাধ্যমে চারটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে জাতীয় বিজ্ঞান ফেলোশিপের বিষয়টি জানানো হয়। এতে মাস্টার্স, এমফিল এবং পিএইচডি পর্যায়ের গবেষক ও শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত করা হয়েছে।
এবার জাতীয় বিজ্ঞান ফেলোশিপের ভৌত বিজ্ঞান গ্রুপের আওতায় ৮৮৮ জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭৫ জন শিক্ষার্থী। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদ এবং সমাজবিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন বিভাগে অধ্যয়নরত। এতে রয়েছেন পরিবেশ বিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এছাড়া সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরাও এ ফেলোশিপ পেয়েছেন।
আরো পড়ুন: লঞ্চে আগুনঃ সাঁতার না জেনেও যেভাবে বেঁচে ফিরলেন জবি ছাত্রী
এছাড়া জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসা বিজ্ঞান গ্রুপে ফেলোশিপ পেয়েছেন মোট ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০২ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। যারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদভুক্ত বিভাগগুলোতে পড়ছেন। এতে রয়েছেন ফার্মেসি, প্রাণিবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, মাইক্রোবায়োলজি, পাবলিক হেলথ এন্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
ভৌতবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসা বিজ্ঞান গ্রুপে এমএস কোর্সে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ফেলোশিপের আওতায় এক বছরে প্রত্যেকে অনুদান হিসেবে ৫৪০০০ টাকা করে পাবেন।
এর বাইরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আরো দুইজন গবেষক নবায়ন গ্রুপে ফেলোশিপ পেয়েছেন। তারা দুজন পিএইচডি গবেষক হিসেবে ৩ লাখ টাকা করে ফেলোশিপ পাবেন।
সবমিলিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭৯ জন শিক্ষার্থী এবার জাতীয় বিজ্ঞান ফেলোশিপের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ভৌতবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং খাদ্য ও কৃষিবিজ্ঞান এই তিন ক্যাটাগরিতে এবার ফেলোশিপ পাচ্ছেন মোট এক হাজার ২৪৪৬ জন শিক্ষার্থী। নবায়ন ক্যাটাগরিতে পেয়েছেন ৪২ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়াও শিক্ষকদের সর্বমোট ৬৩৮টি প্রজেক্ট অনুমোদন হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৭-১৯৭৮ অর্থবছর থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত বা গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি এবং পোস্ট ডক্টরাল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের এই অনুদান দেয়া হয়।