উদ্ধার হওয়া চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘আমি অত্যন্ত লজ্জিত। আমি আপনাদের সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমি নিজেকে অত্যন্ত ঘৃণা করি। আমার মা-বাবা, বড় ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধবদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। জানি আমার কথা শুনলে আপনাদের ঘৃণা লাগবে। আমি নিজেকে, আমার বাবাকে, মাকে আর ছোট ভাইকে অত্যন্ত ভালোবাসি।’
আরো পড়ুন: কটেজে ঝুলছিল চবি শিক্ষার্থীর মরদেহ
.png)
চিরকুটের একটি পাতায় আরো লেখা ছিল, ‘আমি এমনি খুবই ডিপ্রেশনে ছিলাম। এমনকি ক্লাস সিক্সে পড়ার সময় থেকে ডিপ্রেশনে আছি। সেই থেকে ক্লাস টেন পর্যন্ত মোটামুটি ভালো খেলাধুলা করেছি, বন্ধুবান্ধব পেয়েছি। সেজন্য আমি কৃতজ্ঞ।’
‘আমি যদি বন্ধুদের সঙ্গে ভালোভাবে মিশতে পারতাম, তাহলে এটা হতো না। এখন আমি অধঃপতিত হলাম। আমি আপনাদের কাছে একদম ক্ষমার অযোগ্য। তবুও সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’
আরো পড়ুন: আমিনুলের স্বপ্ন হারিয়ে গেল মৃত্যুর মিছিলে
বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. কবির বলেন, সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় আমরা এক ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছি। এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে আমরা আত্মহত্যা বলে ধরে নিচ্ছি।