বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ইমাম হাটহাজারী উপজেলার মৃত ফয়েজ আহমেদের ছেলে শহিদুল ইসলাম। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হলের ইমামের দায়িত্বে থাকাকালীন সময়েও তার বিরুদ্ধে ছাত্রদের যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে।
.png)
আরো পড়ুন: ছাত্রলীগ নেতা শাহীন হত্যায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ২২
জানা গেছে, বুধবার (৮ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্য সেন হলের ক্যান্টিন থেকে সাগর হোসেন নামে এক বালককে বলাৎকারের উদ্দেশে বাগানে ডেকে নিয়ে যান শহিদুল। কিছুক্ষণ পর বালকের চিৎকারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র হাতেনাতে শহিদুলকে আটক করেন। এ সময় উপস্থিত কয়েকজন ছাত্র শহিদুলকে মারধর করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বলাৎকারের চেষ্টার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, শিক্ষার্থীরা অভিযোগ দিয়েছে। পরে আমাদের সহকারী প্রক্টররা ও পুলিশ মিলে তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে আনে। তার গায়ে কিছু আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে চিকিৎসার জন্য মেডিকেল সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।
বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. কবির হোসেন বলেন, শহিদুল এখন পুলিশ হেফাজতে আছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।