এতে বলা হয়, সশরীরে শিক্ষা ও পরীক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করলে করোনা সংক্রমণের হার আরো বৃদ্ধি পাবে। ফলে আবাসিক হল খোলা রাখা ও সশরীরে শিক্ষাদান কার্যক্রম ব্যাহত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করে দেয়ার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। যেহেতু আমাদের হলগুলো খোলা রয়েছে, সে ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের ক্লাস-পরীক্ষা চলমান থাকবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’
.png)
করোনার কারণে দেড় বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর গত ৫ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খুলে দেয়া হয়। সশরীরে ক্লাস শুরু হয় আরো ১২ দিন পর ১৭ অক্টোবর।
আরো পড়ুন: পথশিশুদের শিক্ষাসামগ্রী দিলো ছাত্রলীগ
এরই মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সশরীরে ক্লাস বন্ধ করে দিয়েছে। কেবল পরীক্ষা ও ব্যবহারিক ক্লাস নেয়া হবে। তবে হল বন্ধের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাস পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্ত ছিল ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এই হার গত ২০ সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ। সেদিন পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ছিল ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
আরো পড়ুন: শতবর্ষ বৃত্তি পেলেন ঢাবির ১৫২ শিক্ষার্থী
গতকাল বুধবার পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ২০ শতাংশ, মঙ্গলবার ছিল ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ। সপ্তাহ দুয়েক আগেও পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ছিল ২-এর কোঠায়। এক মাস আগে তা ছিল ২ এর নিচে।