শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রক্টর বলেন, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতির কারণে জাতীয়ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমও সশরীরে বন্ধ থাকবে। তবে সেশনজট নিরসনের জন্য অনলাইনে ক্লাস চলমান থাকবে। এছাড়া চলমান পরীক্ষা সশরীরে অনুষ্ঠিত হবে। যাদের পরীক্ষা সময়সূচি দেয়া হয়েছে, কিন্তু পরীক্ষা শুরু হয়নি তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত ৬ ফেব্রুয়ারির পরে হবে।
.png)
আবাসিক হলের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা যে যেখানে আছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেখানেই অবস্থান করবে, অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো বন্ধ হচ্ছে না।
প্রক্টর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দাফতরিক কার্যক্রম চলবে। তবে ৫০ শতাংশ কর্মচারী প্রতিদিন অফিস করবেন। বাকি ৫০ শতাংশ ছুটিতে থাকবেন। এভাবে পালাক্রমে চলবে। কেউ জ্বর, সর্দি হলে সে ছুটিতে থাকবে।
এর আগে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গত মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) চবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও জনসমাগম নিষিদ্ধ করে প্রশাসন।