আরো পড়ুন: বই পাঠের অভ্যাস গড়তে ইবির তারুণ্যের অনন্য উদ্যোগ
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় লেক সংলগ্ন এলাকায় ৬৮ কোটি টাকায় নির্মাণাধীন এ ভবনটির কাজ পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ঢাকার মাইশা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। ভবনটি নির্মাণে ৫ ক্যাটাগরির রডের অনুমোদন দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে সোমবার রাতের আধারে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার বাইরে এসএস গ্রুপের টাইগার রড নিয়ে আসে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। পরে ভিসি অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম এ রডগুলো ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন।
.png)
আরো পড়ুন: জন্মদিনের কেক খেতে ছাত্রী মেসে ছাত্র, ধরা পড়লেন অন্তরঙ্গ মুহূর্তে
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কাজে শুধু বিএসআরএম রড দিয়ে কাজ করানো হতো। তবে মেগাপ্রকল্পের কাজে বিএসআরএমসহ মোট ৩টি রডকে অনুমোদন দেয় প্রশাসন। সম্প্রতি আরো দুটি রডের অনুমোদন দেয় কর্তৃপক্ষ। অনুমোদিত এই রডগুলো বাদে এসএস গ্রুপের টাইগার রড নিয়ে আসে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মাইসা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।
আরো পড়ুন: ৩৭ পদের পিঠার স্বাদে পৌষ উৎসব
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মুন্সী সহিদ উদ্দিন মু. ন তারেক বলেন, ঠিকাদাররা প্রশাসনের অনুমোদিত রড বাদে অন্য রড নিয়ে এসেছে। তারা এ রড পরীক্ষা করার আবেদন করেছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অনুমোদনহীন এ রড ফেরত পাঠাতে বলেছে।
এবিষয়ে ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, আমাদের অনুমোদিত রডের বাইরে অন্য কোন রড দিয়ে কাজ করার কোন সুযোগ নেই। পরীক্ষা করে কাজের যোগ্য হলেও অনুমোদনহীন রড দিয়ে কাজ করা হবে না।