ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

দক্ষিণ কোরিয়ার দেগু বিশ্ববিদ্যালয়: স্কলারশিপে দিচ্ছে যেসব সুবিধা 

শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক 
প্রকাশিত: ২৩:২৩, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
দক্ষিণ কোরিয়ার দেগু বিশ্ববিদ্যালয়: স্কলারশিপে দিচ্ছে যেসব সুবিধা 
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি হলো দেগু গিয়াংবুক ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডিজিআইএসটি)। এটি দক্ষিণ কোরিয়ার দেগু মেট্রোপলিটন সিটিতে অবস্থিত একটি পাবলিক বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। ২০০৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি তার যাত্রা শুরু করে।

ব্যাচেলর, মাস্টার্স ও পিএইচডি- এই তিন ডিগ্রির জন্য আপনি দক্ষিণ কোরিয়ায় আবেদন করতে পারবেন। ব্যাচেলর ডিগ্রির মেয়াদ সাধারণত তিন থেকে চার বছর, মাস্টার্স ডিগ্রির মেয়াদ এক থেকে দুই বছর এবং পিএইচডি ডিগ্রির মেয়াদ তিন থেকে পাঁচ বছর হয়ে থাকে। কোরিয়ান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ফল ও স্প্রিং এই দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারেন।

কোরিয়াতে টিউশন ফি অনেক বেশি, সেই সাথে থাকা-খাওয়ার খরচও অনেক বেশি। তাই স্নাতকোত্তর ও পিএইচডিতে তেমনই একটি স্কলারশিপ দিচ্ছে দেগু বিশ্ববিদ্যালয়। 'ডিজিআইএসটি স্কলারশিপ'-এর আওতায় শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি ও সামগ্রিক খরচ বহন করা হবে।

Advertisement

যেসব বিষয় নিয়ে পড়া যাবে:

পদার্থবিদ্যা
রসায়ন
বৈদ্যুতিক প্রকৌশল
কম্পিউটার বিজ্ঞান
রোবোটিক্স
মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং
শক্তি বিজ্ঞান এবং প্রকৌশল
মস্তিষ্ক বিজ্ঞান
জীববিজ্ঞান। ইত্যাদি

সুযোগ-সুবিধা:

মাস্টার্সে শিক্ষার্থীদের বছরে ১ কোটি ৫০ লাখ কোরিয়ান ওন প্রদান করা হবে। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা।

পিএইচডিতে ২ কোটি ২০ লাখ কোরিয়ান ওন প্রদান করা হবে। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৫ লাখ টাকা।

আবেদনের যোগ্যতা:

স্নাতকোত্তরের জন্য স্নাতকে ভালো ফলাফল অর্জন করতে হবে।
পিএইচডির জন্য স্নাতকোত্তরে ভালো ফলাফল অর্জন করতে হবে।
সর্বনিম্ন সিজিপিএ ৩.০০ হতে হবে।
আইএলটিএস স্কোর ন্যূনতম ৬.০০ হতে হবে।
ইংরেজি দক্ষতা সনদ প্রদর্শন করতে হবে।
স্টেটমেন্ট অব পারপাস (এসওপি) জমা দিতে হবে।
দুইটি রিকমেন্ডেশন লেটার।
একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট প্রদর্শন করতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া:

সরাসরি দেগু বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। অথবা নিজের গবেষণার আগ্রহ অনুযায়ী সরাসরি কোনো অধ্যাপকের সঙ্গে ই-মেইলে যোগাযোগ করতে হবে। ই-মেইলে আপনার স্নাতকের সিজিপিএ, আইএলটিএস, টোফেল বা জিআইর স্কোর, পাবলিকেশন যদি থাকে, নির্দিষ্ট বিষয়ে গবেষণায় আগ্রহের কারণ এবং এই ক্ষেত্রে পূর্ব অভিজ্ঞতার বিবরণ লিখে দিতে হবে। কারণ, অধ্যাপকের সম্মতি ছাড়া কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কম। যেসব ছাত্রছাত্রী বৃত্তি নিয়ে পড়তে আসেন, তাঁদের গবেষণার সহকারী হিসেবে নিতে চান অধ্যাপকেরা।

দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রায় ৪০০ বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। মানের দিক দিয়ে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সবই সমান। কারণ দেশটির শিক্ষাব্যবস্থা গবেষণাভিত্তিক। গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান সৃষ্টি, উদ্ভাবন এবং সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল উদ্দেশ্য। 

দেশটিতে শিক্ষার মান আর গবেষণার বহুমুখিতা থাকার কারণেই দক্ষিণ কোরিয়াকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যতম পছন্দ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!