জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থী ছালাউদ্দিন ইউসুফ এভাবেই নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করলেন।
সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। ফলে আবাসিক হল থেকে শুরু করে খোলা স্থান পর্যন্ত মশার উপদ্রব। অনেকে দিনের বেলাতেও মশারি টাঙিয়ে থাকছেন। এদিকে চলতি মাসে মশার উপদ্রব আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন কীটতত্ত্ববিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার।
.png)
জানা গেছে, হলের আশপাশের এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানের ড্রেন, ডোবা, ঝোঁপঝাড় পরিষ্কার না করা ও যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থাকায় মশার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া মশার প্রজনন মৌসুম হিসেবে শীতের সময়ে একাধিকবার মশক নিধন অভিযান হয়ে থাকলেও এ বছর তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। ফলে দিনের পর দিন মশার উপদ্রব বেড়েই চলছে। তবে কয়েকটি হলে সম্প্রতি মশক নিধনের ব্যবস্থা নেয়া হলেও তা যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কীটতত্ত্ববিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, জুন-জুলাই-আগস্ট এই তিনটি মাসের তুলনায় ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে মশার ঘনত্ব অনেক বেড়ে যায়। জাহাঙ্গীরনগরেও সেটিই হয়েছে। মার্চ মাসে মশার উপদ্রব ক্যাম্পাসে আরো অনেক বেড়ে যাবে।
তিনি আরো বলেন, কিছু পদক্ষেপ নিলে এই সময়ে মশার ঘনত্ব এত বাড়তো না। এই সময়ে কিউলেক্স মশার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। এই মশা জন্মায় ড্রেন, ডোবা, নর্দমা এবং পঁচা পানিতে। নিয়মিত ড্রেন, নর্দমা, ডোবা এবং ঝোঁপঝাড় পরিষ্কার করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুর রহমান বলেন, আমাদের এখানে মাত্র চারটি ফগিং মেশিন আছে। হল কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে জানালে আমরা ফগিং মেশিন তাদের দিই। এখন পর্যন্ত যারা আমাদেরকে মশার সমস্যা সম্পর্কে জানিয়েছে তাদেরকে ফগিং মেশিন দেয়া হয়েছে। যারা জানায়নি তাদেরকে দেয়া হয়নি।
হল প্রাধ্যক্ষ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, এরইমধ্যে এস্টেট অফিসে জানিয়ে দেয়া হয়েছে যেনো প্রত্যেকটা হলে ফগিং মেশিনের মাধ্যমে স্প্রে করা হয়। হল প্রাধ্যক্ষদেরও বলে দেয়া হয়েছে, হল সংশ্লিষ্ট মালিদের দিয়ে হলের আশপাশে যত ঝোঁপঝাড় রয়েছে কেটে ফেলার জন্য। আশা করি অতি দ্রুত আমরা মশার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবো।