রোববার রাত ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জয় বাংলা ভাস্কর্যের সামনে এ কর্মসূচিতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এছাড়াও এক মিনিট মৌনতা পালন ও প্রতিবাদ সংগীতের আয়োজন করে আন্দোলনকারীরা।
এ সময় প্রতিবাদকারীরা বলেন, র্যাগিংয়ের নামে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা একটি অসুস্থ মানসিকতার প্রয়োজন। প্রশাসনের উচিত এদের দিকে সূক্ষ্ম দৃষ্টি রাখা। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে নবীনদের ঠাঁই হচ্ছে না- এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। আমরা এই নির্যাতনে জড়িতদের স্থায়ী বহিষ্কার চাই।
.png)
শনিবার রাতে ময়মনসিংহ হাসপাতালে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া নির্যাতনের শিকার ছাত্র সাগর চন্দ্র দের সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, আমাকে রোলিং চেয়ারে জোর করে বসিয়ে ঘোরাতে থাকেন চারুকলা বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌমিক জাহান। এ সময় তাকে বারবার থামতে বলেছিলাম। কিন্তু আমার কথায় কান না দিয়ে অনবরত চেয়ারটি জোরে ঘোরাতে থাকে।
এরপর একপর্যায়ে চেয়ারটি উল্টে গিয়ে পড়ে যান সাগর। এতে মাথায়, নাকে-মুখে মারাত্মক আঘাত পান তিনি। এ সময় দুটি দাত ভেঙে গিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয় তার। তবে এ অবস্থাতেও তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাননি অভিযুক্ত শিক্ষার্থী। এমনকি সাগরের ফোন ছিনিয়ে নিয়ে আটকে রাখেন সৌমিক।
এর আগে, শনিবার (১২ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নিবীণা হলের ২০৪ নম্বর কক্ষে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের নবীন এক শিক্ষার্থীকে র্যাগিং করেছে চারুকলা বিভাগের তিন শিক্ষার্থী। র্যাগিংয়ের শিকার শিক্ষার্থী সাগর চন্দ্র দে মাথা ও মুখমণ্ডলে গুরুতর আঘাত পেয়ে এখন ময়মনসিংহ মেডিকেলে ভর্তি আছেন।